পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। এবং উনি তা গ্রহণ করেছেন”।
সোমবার ওই বক্তব্যের জবাবে আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের আরো বলেছেন, “রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্য শপথ ভঙ্গের সামিল। তিনি তার বক্তব্যে অটল থাকলে তিনি পদে থাকতে পারেন কিনা তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আলোচিত হতে পারে।’
“যখন ফ্যাসিস্টের শক্তিরা বিভিন্ন জায়গায় যখন মাথাচার দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে তখন হঠাৎ করে আড়াই মাস পরে কেন এই কথা বললেন রাষ্ট্রপতি, এখন সেই প্রশ্ন আসাটাও স্বাভাবিক” বলছিলেন মি. নজরুল।
এ নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে এই ব্যাখ্যা দেয়া হলো।

إرسال تعليق